সুন্দরবন-রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্প: আত্মহত্যার মোক্ষম অস্ত্র

সুন্দরবন থেকে রামপালের দূরত্ব ১৪ কিমি বলা হচ্ছে, কিন্তু বাস্তবে ৯ কিমি দূরে। যারা সুন্দরবন রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পক্ষে কথা বলছেন তাদের উদ্দেশ্যে বলছি, তারা জেনে রাখুন, এই প্রজেক্ট পৃথিবীর কোন বিশেষজ্ঞ অনুমোদন দেয় নি, একমাত্র আবাল আম্লীগ আর তৌফিক ভায়া ছাড়া। পশুর নদীতে টনকে টন কয়লা, মার্কারিসহ অন্যান্য বিষাক্ত পদার্থ প্রবাহিত হয়ে সাগরে পড়বে, অতএব পশুর নদীর চিংড়ি আর বংগোপসাগরের ইলিশ আর খাওন লাগবো না। অন্যদিকে কার্বন এর নিঃসরণ এবং ধোঁয়া ঢেকে দেবে সাতক্ষীরা, খুলনা এবং বাগেরহাটকে।এসিড বৃষ্টি হবেই সেটা দুনিয়া জুড়ে পরীক্ষিত। মধ্যপ্রদেশে প্লানকৃত এই প্রজেক্টের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট ৪ বার রিট করেছে ইন্ডিয়ায়। সেখানকার বাতিল প্রজেক্ট এখানে তৌফিক সাহেব করার জন্য উঠে পরে ক্যানো লেগেছে সবাই জানে। উনার পকেটে মিনিমাম ১০০০ কোটি টাকা কমিশন গ্যাছে নিশ্চিত। ইন্ডিয়া-বাংলাদেশের বিনিয়োগ ৫০:৫০ হওয়ার পর ও প্রফিট ৮৫:১৫ ক্যানো হবে সেটার ও উত্তর দিতে হবে সরকারসহ আপনাদের মত আবালদের যারা সুন্দরবন নিয়ে আবাল মন্তব্য করতেছেন। পিডিবি থেকে বিদ্যুৎ কিনতে হয় প্রতি ইউনিট ৪ টাকা, রামপাল থেকে কিনতে হবে ৯ টাকায়, ক্যানো? তার উত্তরও দিতে হবে। ৫০ হাজারের উপর গাছ কেটে এবং ৬০ হাজার এর অধিক প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান ধ্বংসের বিনিময়ে মাত্র ৬০০ মানুষের কর্মসংস্থান এবং মাত্র ২০ হাজার ঘরে আলো জ্বালিয়ে কোন বাল-ছালের উন্নয়ন ঘটাবে সরকার সেই উত্তর ও আপনাদের মত দালালদের দিতে হবে। সুন্দরবনকে প্রাকৃতিক সপ্তাশ্চার্য হবার জন্য ভোট দিছেন, নিজের মা বইলা বুক ফুলাইছেন, আর অহন, চোর বাটপারে আপনের মার কাপড় খুইলা ফালাইতেছে আর আপনি দাঁত কেলাইয়া হাসতেছেন। বাহ! মিরজাফর জাতির বিবেক বাহ…

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন:

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Follow

Get the latest posts delivered to your mailbox:

Free SSL