ক্যাম্প এক্স রে – কুখ্যাত গুয়ানতানামোয় ফোঁটা মানবতা নামের ফুল

ছবির নাম ক্যাম্প এক্স রে (Camp X Ray)। মাত্র ১ মিলিয়ন ডলারের ছবি, ব্যবসা করেছে ৬০ মিলিয়ন মানে ১৩৪%। মাত্র ২৫ % নিজের দেশে, বাকিটা সারা বিশ্বজুড়ে। পরিচালনা করেছেন পিটার স্যাটলার (Peter Sattler), এটাই তাঁর প্রথম পরিচালনা। এখন কথা ব্যবসায়ের না শুধু, কথা কন্টেন্ট, ডিরেকশন, অভিনয় এবং মান নিয়ে।

H2O ও আমাদের দেশের সুন্দরী প্রতিযোগিতা

যারা পানির রাসায়নিক সংকেত সুন্দরী না জানায় কোন সমস্যা মনে করছেন না, তাদের জন্য বলছি।

বাংলাদেশ থেকে Brain Drain – লাভ কার?

ইন্ডিয়ান কোন ভাল লেখকের বই যখন পড়ি, ভাল কোন চলচিত্র বা গান বা যেকোনো কিছু যখন জানতে থাকি অনেক গভীরে গিয়ে, সত্যিই অবাক লাগে আবার একই সাথে দুঃখও লাগে। কারণটা বলছি।

অরুন্ধতি রায়কে নিয়ে দু’কথা

অরুন্ধুতি রয়’কে নিয়া একটু পড়ছি। জানতে চেয়েছিলাম, লেখক হবার আগে তিনি কেমন ছিলেন। মানুষ যেমন বাবা-মা হয়ে যাবার পরে আর একই মানুষ থাকেনা, লেখকের বেলায়ও তেমনটা সত্যি। একবার লেখক হয়ে গেলে সে আর আগের মত থাকেনা। দ্বিতীয়বার জন্মায়।

যা পড়ি যা পড়ি না আজকাল

বই মনের খাবার। এক এক খাবারের যেমন এক এক রকম খাদ্য গুন, এক এক ধরণের বইয়েরও তেমনি এক এক ধরণের প্রতিফলন আছে। ইদানীং একটা উপলব্ধি হল, শুধু সাহিত্য পড়া ঠিক না। এটা মনের বাইরে শান্তি আনে, ভেতরে আগ্রহ ও সৌন্দর্য বোধ তৈরি করে, ধৈর্য্য বাড়ায়।

‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ পড়েও এমন?

‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ পড়ার পর কোন রাজনৈতিক Activist কিভাবে মারামারি/ ধর্ষণ/ চাঁদাবাজি/ বাখোয়াজি/ দালালী/ অবৈধ কাজ করে? হয় সে লোক দেখানোর জন্য পড়েছে, নয়তো এটা পড়ে আসলে মাথায় কিছুই ঢোকেনায়।

‘রাং দে বাসান্তি’র রঙ

আজ একটা খবরে দেখলাম নেপালের সেই ইউ এস বাংলার বিমান দূর্ঘটনার তদন্ত রিপোর্ট বের হয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, বিমান চালক হতাশ, বিসন্ন এবং মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিল। অতিরিক্ত মানসিক চাপ নিতে না পেরে তাড়াহুরায় বিমান দূর্ঘটনা ঘটে। পুরো দোষ বিমান চালকের। এই রিপোর্ট দেখে মনে হল, এটা রাং দে বাসন্তি’র অজয় সিং রাঠোর কেস নয়তো! সস্তা জ্বালানি আমদানি করে সেসব বিমান কোম্পানিতে সাপ্লাই করে কোটি কোটি টাকা বাণিজ্য আর এক একটা দূর্ঘটনা ঘটার পর লোক দেখানো তদন্ত। এদেশে এটা অস্বাভাবিক কিছু না।

মুক্তি -পৃথিবীখ্যাত যুদ্ধজয়ী ৩০ মিনিটের অ্যাখ্যান

আজ চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন একাত্তরের জননী রমা চৌধুরী। রমা চৌধুরীর জীবনটা একটা আস্ত সিনেমা হতে পারে। এই বীর মহিলার সংগ্রাম মুখর জীবন নিয়ে কেউ কোনদিন লেখেনি, স্বাধীনতার ৪০ বছর কেটে যাবার পরেও। রেজা ঘটক নামের একজন ব্লগার ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষক ২০১৩ সালে তাঁকে নিয়ে লেখেন প্রথম। এরপর আলোড়ন সৃষ্টি হয়। রমা চৌধুরীর মত লাখো নারীর যন্ত্রণাময় গল্পের বিনিময়ে আসলে আজকের এই বাংলাদেশ। এত সংগ্রাম, এত ত্যাগ অথচ এই মহীয়সী বিনয়ী নারী ছিলেন অন্তরালে, রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক সম্মানহীন থেকে গেছেন জীবনের সিংহ ভাগ সময়। এর কারণ যতটা না তিনি, তাঁর চেয়ে বেশি বোধহয় আমরাই।

আয়েশাঃ স্বাধীনতা উত্তর সময়ের অজানা অধ্যায়ের একটি গল্প

স ময় ১৯৭৭। বঙ্গবন্ধু-চার নেতা-তাহের-খালেদ মোশারফ খালেদ মোশারফ হত্যার পরে রাজত্ব চলছে মেজর জিয়ার। বঙ্গবন্ধু মারা যাওয়ায় জাসদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছিল। কিন্তু কর্নেল তাহের এর অভ্যুত্থানে আবার যখন পরিস্থিতি কুয়াশাচ্ছন্ন, মেজর জিয়া সুযোগের সদ্ব্যবহার করলেন। জিয়ার সময়ে জাসদই তাঁর সরকারের একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল, যেহেতু আওয়ামীলীগ তখন আন্ডারগ্রাউন্ডে। জাসদের কিছু অতি উৎসাহী বিপ্লবী একটি জাপানী বিমান ছিনতাই করে আন্তর্জাতিক মনোযোগ কাড়তে চেয়েছিল এবং মুখ্যত তাদের লক্ষ্য ছিল সরকারকে বিপ্লবের মেসেজ দেয়া। কিন্তু সে চেষ্টায় তারা ব্যার্থ হয়। তখন জিয়া সরকার গণহারে সংশ্লিষ্ট সৈনিকদের, তারা জাসদ সমর্থন করুক আর না করুক, মার্শাল ল এর আওতায় ফাঁসি দিয়ে দেয় বা গুলি করে। এবং সবচেয়ে মর্মান্তিক হল, এসকল অপরাধী কিংবা নিরপরাধী সৈনিকদের কোন ট্রেসই পরবর্তীতে পাওয়া যায়না। তাদের লাশ কোথায় দাফন করা হয়েছে সেটাও পরিবারগুলোকে জানানো হয়না। এই ট্রাজেডি একটি সদ্য স্বাধীন দেশের জন্য অনেক হৃদয়বিদারক ছিল। কিন্তু এসব নিয়ে এতকাল কোন চলচিত্র বা নাটক কিংবা গল্প-উপন্যাস-কবিতা লেখা হয়নি। একটি বড় প্রশ্নবোধক চিহ্ন এই ৪০ বছরে জমা হয়েছে – কেন?

ফেজবুক যেভাবে আপনার কাছ থেকে তথ্য নেয় (ফেজবুক অবজার্ভেশন-১ )

ফেসবুক সংক্রান্ত আমার কিছু Observation আছে। সেগুলো ধারাবাহিকভাবে শেয়ার করতে চাই। এইটা আসলে জ্ঞান ফলাইতেছি না, ফেজবুকের ব্যক্তিগত ও পেশাদার ব্যবহারকারী হিসেবে নিজের অভিজ্ঞতাটুকুই বলবো। এবং আমি যা বলবো তাতে কোন ভুলও থাকতে পারে। সেক্ষেত্রে মতামত দিয়েন। তবু শেয়ার করতে চাই।

Follow

Get the latest posts delivered to your mailbox:

Free SSL