পূজার মত প্রেম

পূজার মত অনবদ্য প্রেম
এখন আর কে দেবে কাকে!
এ ভীষণ ওভারস্মার্ট যুগে জনপ্রিয় কোন
সংজ্ঞায়িত হাস্যকর দামে কে বিকোতে চায়!
এ সীসার ভারী দেয়ালের শহরে 
উদাত্ত বন্ধু মনও আহত ভীষণ।

অনুকবিতা

১।

তোমাতে আমাতে দূরত্ব মহাকালের,
এত কদর্য সহনীয় হল
বিশ্ব চরাচরে বৃষ্টি এলো বলে,
স্বাগতম, হে সুন্দর!

ভাল থেকো – ২

কেবলই যাচ্ছি ক্রমে দূরে আরও দূরে
জীবন যেখানে নিয়ে যায় জোর করে,
ভাল থেকো তুমি গত জন্মের প্রিয়
জল-বর্ষার কোমলতাটুকু নিও।

প্রকাশকরা যেভাবে লেখকদের শোষণ করছে

বাংলাদেশে প্রকাশনা ব্যবসায়ের ধরণ বদলে গেছে। আগে লেখকদের কাছ থেকে পাণ্ডুলিপি সংগ্রহ করে সেটা প্রকাশ করে বিক্রি করা হতো, রয়্যালটি দেয়া হতো, অনিয়মিতভাবে হলেও। তখনকার লেখকরা রয়্যালটি পাক কিংবা না পাক, বিক্রি নিয়ে চিন্তা করতে হতো না। সেটা নিতান্তই প্রকাশকের কাজ ছিল। ফলে কারও বই বেশি বিক্রি হল নাকি কম বিক্রি হলো সেটা নিয়ে লেখকের কোন মাথা ব্যথা থাকত না, না থাকাই স্বাভাবিক।

থ্রি ইডিয়টস মা কি কাহানী

অরিত্রী হত্যা নিয়ে এখন মানুষ ভাবছে। এর আগে চৈতি নামেও ভিকারুন্নেসার একটি কিশোরী শিক্ষকদের অসদাচরণে আঘাত পেয়ে আত্মহত্যা করেছিল। নৈতিকতা ও সহমর্মীতাহীনতার দ্বন্দ্বে পরে এভাবে হাজার হাজার প্রাণ ঝরে যায় কিংবা বিপথে যায়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নৈতিকতা ও পার্থিব জ্ঞান দানের অসুস্থ প্রতিযোগিতার পরাকাষ্ঠায় পরে মানবিকতা হারানোর এই সময়ে একটা ছবিকে প্রাসঙ্গিক মনে করছি। ছবির নাম In Which Annie Gives It Those Ones । এই ছবিটা থ্রি ইডিয়ট টাইপের। তবে এর কাহিনী বেশ শক্তিশালী। একে আসলে “থ্রি ইডিয়ট কি মা কি কাহানী” বলা চলে।

ইন্দিরা গান্ধী’র নন্দিত ও নিন্দিত জীবনের সেরা দশ বাঁক

আমি ব্যক্তিপূজায় বিশ্বাস করিনা। শ্রদ্ধা করতে ভয় পাই আজকাল, করিনা বললেই চলে। কারণ, অনেক শ্রদ্ধেয় ব্যক্তির কর্মকাণ্ড আমাকে চোখের সামনে পাহাড় ধ্বসের অনুভূতি দিয়েছে। কিন্তু কাউকে কাউকে শ্রদ্ধা করতে বাধ্য হই, মানুষ হিসেবে। যেকজন মানুষের জন্মের কারণে পৃথিবী অনেক সুন্দর এখনও, তার মধ্যে ইন্দিরা গান্ধী আছেন বলে মনে করি। ছোট বেলা থেকেই উনাকে দেখে আমার এক অদ্ভুত অনুভূতি হয়। উনাকে ভালবাসার প্রথম কারণ হল, উনি আমার মায়ের মত দেখতে। তাই তাঁকে টিভি স্ক্রিন বা পত্রিকার পাতা যেখানেই দেখতাম, সঙ্গে সঙ্গে মা’র দিকে তাকাতাম।

নিজের প্যাশন বনাম বাবা-মায়ের স্বপ্ন এবং আমরা যেভাবে মেরুদণ্ডহীন হই

সন্তানের ১৮ বছর বয়সের পরও এদেশের বাবা মায়েরা সন্তানকে খাবার, বাসস্থান, সখ আহ্লাদ, উচ্চশিক্ষা ইত্যাদি দিয়ে যায়। তারা মনে করে এটাই ভালবাসা, বিনিময়ে তারা চায় সন্তান তাদের কথা শুনুক এবং তাদের মুখ উজ্জ্বল করুক। কিন্তু আসলেও কি এটা ভালবাসা? I don’t think so.

তসলিমা নাসরিন এর নির্বাসন – দায় ও ক্ষতি কার?

আজ একটি বিতর্কিত বিষয় নিয়ে লিখতে চাই। এতে আমার কোন ব্যক্তিগত মত থাকছেনা। ব্যক্তিগত কোন ভালোলাগা থেকেও কিছু বলছি না, তবে দায় বোধ থেকে বলছি। এখন সময় যেহেতু পক্ষে না, সুবোধ পালাচ্ছে। কিন্তু বেঁচে থাকতে মেরুদণ্ড লাগে। মেরুদণ্ডের খোঁজ করছি তাই নিজের ভেতরে ও বাইরে। এদেশে মেরুদণ্ডওয়ালা লোকের সংখ্যা তলানিতে এসে ঠেকেছে, লোকে কাকে দেখে নিজের মেরুদণ্ডকে শক্ত করবে?

সুন্দরী কমলা – অসমীয়া নাকি বাংলা লোকগীতি?

এই গানটি নিয়ে আলোচনা করতে চাই এজন্য যে, গানটির অরিজিন কোথায় তা জানার জন্য। গানটি ফিউশন করে প্রকাশ করেছে কোক স্টুডিও ইণ্ডিয়া। গেয়েছেন Usri Banerjee, Aditi Singh Sharma, সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন Ram Sampath ।

রাজ্জাক – শরণার্থী থেকে হৃদয়ের নায়ক

বাংলা থেকে দেশান্তরী হয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন এরকম শখানেক বিখ্যাত জনের নাম মুহূর্তে বলে দেয়া যায়। কিন্তু ওপার বাংলা থেকে এখানে এসে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন এমনটা বিরল। পূর্ববঙ্গের আর্থ-সামাজিক অবস্থা এবং মানুষের মনন সেটাকে আরও কঠিন করে তোলে। কিন্তু যিনি পারেন, তিনি পারেন। অনেকে হয়তো জানেই না, নায়ক রাজ্জাক ভিনদেশী ছিলেন। কারণ তার কাজ ও ঐকান্তিকতা। কাজ দিয়েই হৃদয় জয় করেছেন এপারের মানুষের। তার ইমেজের বিকল্প এখন ও তৈরি হচ্ছেনা ঢাকাই চলচিত্রে। সালমান শাহ পারতেন, কিন্তু দুর্ভাগ্য তাকে অকালেই চলে যেতে হল।

Follow

Get the latest posts delivered to your mailbox:

Free SSL