নিজের প্যাশন বনাম বাবা-মায়ের স্বপ্ন এবং আমরা যেভাবে মেরুদণ্ডহীন হই

সন্তানের ১৮ বছর বয়সের পরও এদেশের বাবা মায়েরা সন্তানকে খাবার, বাসস্থান, সখ আহ্লাদ, উচ্চশিক্ষা ইত্যাদি দিয়ে যায়। তারা মনে করে এটাই ভালবাসা, বিনিময়ে তারা চায় সন্তান তাদের কথা শুনুক এবং তাদের মুখ উজ্জ্বল করুক। কিন্তু আসলেও কি এটা ভালবাসা? I don’t think so.

তসলিমা নাসরিন এর নির্বাসন – দায় ও ক্ষতি কার?

আজ একটি বিতর্কিত বিষয় নিয়ে লিখতে চাই। এতে আমার কোন ব্যক্তিগত মত থাকছেনা। ব্যক্তিগত কোন ভালোলাগা থেকেও কিছু বলছি না, তবে দায় বোধ থেকে বলছি। এখন সময় যেহেতু পক্ষে না, সুবোধ পালাচ্ছে। কিন্তু বেঁচে থাকতে মেরুদণ্ড লাগে। মেরুদণ্ডের খোঁজ করছি তাই নিজের ভেতরে ও বাইরে। এদেশে মেরুদণ্ডওয়ালা লোকের সংখ্যা তলানিতে এসে ঠেকেছে, লোকে কাকে দেখে নিজের মেরুদণ্ডকে শক্ত করবে?

সুন্দরী কমলা – অসমীয়া নাকি বাংলা লোকগীতি?

এই গানটি নিয়ে আলোচনা করতে চাই এজন্য যে, গানটির অরিজিন কোথায় তা জানার জন্য। গানটি ফিউশন করে প্রকাশ করেছে কোক স্টুডিও ইণ্ডিয়া। গেয়েছেন Usri Banerjee, Aditi Singh Sharma, সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন Ram Sampath ।

রাজ্জাক – শরণার্থী থেকে হৃদয়ের নায়ক

বাংলা থেকে দেশান্তরী হয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন এরকম শখানেক বিখ্যাত জনের নাম মুহূর্তে বলে দেয়া যায়। কিন্তু ওপার বাংলা থেকে এখানে এসে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন এমনটা বিরল। পূর্ববঙ্গের আর্থ-সামাজিক অবস্থা এবং মানুষের মনন সেটাকে আরও কঠিন করে তোলে। কিন্তু যিনি পারেন, তিনি পারেন। অনেকে হয়তো জানেই না, নায়ক রাজ্জাক ভিনদেশী ছিলেন। কারণ তার কাজ ও ঐকান্তিকতা। কাজ দিয়েই হৃদয় জয় করেছেন এপারের মানুষের। তার ইমেজের বিকল্প এখন ও তৈরি হচ্ছেনা ঢাকাই চলচিত্রে। সালমান শাহ পারতেন, কিন্তু দুর্ভাগ্য তাকে অকালেই চলে যেতে হল।

ক্যাম্প এক্স রে – কুখ্যাত গুয়ানতানামোয় ফোঁটা মানবতা নামের ফুল

ছবির নাম ক্যাম্প এক্স রে (Camp X Ray)। মাত্র ১ মিলিয়ন ডলারের ছবি, ব্যবসা করেছে ৬০ মিলিয়ন মানে ১৩৪%। মাত্র ২৫ % নিজের দেশে, বাকিটা সারা বিশ্বজুড়ে। পরিচালনা করেছেন পিটার স্যাটলার (Peter Sattler), এটাই তাঁর প্রথম পরিচালনা। এখন কথা ব্যবসায়ের না শুধু, কথা কন্টেন্ট, ডিরেকশন, অভিনয় এবং মান নিয়ে।

H2O ও আমাদের দেশের সুন্দরী প্রতিযোগিতা

যারা পানির রাসায়নিক সংকেত সুন্দরী না জানায় কোন সমস্যা মনে করছেন না, তাদের জন্য বলছি।

বাংলাদেশ থেকে Brain Drain – লাভ কার?

ইন্ডিয়ান কোন ভাল লেখকের বই যখন পড়ি, ভাল কোন চলচিত্র বা গান বা যেকোনো কিছু যখন জানতে থাকি অনেক গভীরে গিয়ে, সত্যিই অবাক লাগে আবার একই সাথে দুঃখও লাগে। কারণটা বলছি।

অরুন্ধতি রায়কে নিয়ে দু’কথা

অরুন্ধুতি রয়’কে নিয়া একটু পড়ছি। জানতে চেয়েছিলাম, লেখক হবার আগে তিনি কেমন ছিলেন। মানুষ যেমন বাবা-মা হয়ে যাবার পরে আর একই মানুষ থাকেনা, লেখকের বেলায়ও তেমনটা সত্যি। একবার লেখক হয়ে গেলে সে আর আগের মত থাকেনা। দ্বিতীয়বার জন্মায়।

যা পড়ি যা পড়ি না আজকাল

বই মনের খাবার। এক এক খাবারের যেমন এক এক রকম খাদ্য গুন, এক এক ধরণের বইয়েরও তেমনি এক এক ধরণের প্রতিফলন আছে। ইদানীং একটা উপলব্ধি হল, শুধু সাহিত্য পড়া ঠিক না। এটা মনের বাইরে শান্তি আনে, ভেতরে আগ্রহ ও সৌন্দর্য বোধ তৈরি করে, ধৈর্য্য বাড়ায়।

‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ পড়েও এমন?

‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ পড়ার পর কোন রাজনৈতিক Activist কিভাবে মারামারি/ ধর্ষণ/ চাঁদাবাজি/ বাখোয়াজি/ দালালী/ অবৈধ কাজ করে? হয় সে লোক দেখানোর জন্য পড়েছে, নয়তো এটা পড়ে আসলে মাথায় কিছুই ঢোকেনায়।

Follow

Get the latest posts delivered to your mailbox:

Free SSL