অনলাইনে লেখালিখি

অনলাইনে লেখালিখির অনেক ভালো এবং খারাপ দিক আছে। অনলাইন সবার জন্য উন্মুক্ত হওয়ার দরুন এখানে প্রচুর পার্ভার্ট জন্ম নিয়েছে। যারা মিথ্যা কথা বলায় দারুনভাবে দক্ষ হয়ে উঠেছে। দেখা গেল, কোন একজন কিছুই করেনি, অথচ স্রেফ মতে মেলেনি বা কথা পছন্দ হয়নি বলে তার নামে গল্প বানিয়ে স্বউদ্যোগে একে ওকে বলে বেড়াচ্ছে। এই সব পার্ভার্টের পিছনে প্রতিবাদ করে সময় খরচ করতেও আসলে ঘেন্না লাগে।

একসময় অনলাইনে বিষয় ভিত্তিক/সামাজিক বিষয় নিয়ে লেখালেখি করতাম। যতই দিন গেছে, ততই এর অন্ত:সারশূন্যতা আবিস্কার করছি। তাই সামাজিক ইস্যুতে লেখা ছেড়ে দিয়েছি। বাস্তবে কাজ না করে সামাজিক ইস্যু নিয়ে লেখা একধরনের প্রতারণা/বাখোয়াজি মনে হয়। তারপর আবার ধর্মান্ধ, গাড়লদের গালাগালি/হুমকি/বুলিং তো আছেই। এদের সাথে লড়তে গিয়ে মানসিক অবসন্নতা, নেতিবাচক মনোভাব, মানসিক বিকৃতি ও সময়ের অপচয় অবশ্যম্ভাব্যি। তাই বাদ দিয়েছি।

অনলাইনে লিখতে হলে পূর্নকালীন পেশাদার লেখক হতে হবে। নয়তো সামাজিক ইস্যুতে না লেখাই ভাল। কিন্তু সেটা খুব সহজ বিষয় নয়। অনেক ভন্ডামী ও রাজনৈতিক অস্বচ্ছতা থাকে এসব পেশাদার লেখকদের। সামাজিক ইস্যুতে না লিখতে পারলে জীবন ব্যার্থ হয়না। সমাজের জন্য ভাল কিছু করতে চাইলে আসলেই, না লিখে কাজ করার উপর গুরূত্ব দেয়া দরকার। সেটাও না পারলে, ব্যক্তিজীবনে যতটা পারা যায় নিজের বিশ্বাস ও ভাল গুনগুলোর প্রতিফলন ঘটালেই হয়। অনলাইন সেলিব্রিটি হয়ে সস্তা খ্যাতির মোহে পড়ে থাকা কোন ভাল মানুষের পরিচয় না।

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন:

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Follow

Get the latest posts delivered to your mailbox:

Free SSL