এক পলকে

চলন্ত বাসের জানালা দিয়ে এক পলক,
বহু….বহুদিন পর তোমায় দেখলাম।
ছুটন্ত মনটা থমকে দাঁড়াল খানিকক্ষণ,
তারপর হুস্ করে চলে গ্যাছো
আবার কোন আজানায়….

আমাকে রেখে গেলে রৌদ্রজ্জ্বল এক বিকেলের তীরে।

সেই হাসি মুখ,
পিচ রাস্তায় চিরচেনা গাছেদের মানচিত্রের
পাশে পাশে তোমার ছায়া।
দিনের পর দিনের কথারা
কলকাকলি হয়ে ফেরে যেখানে,
তোমার আমার পায়ের ছন্দে
হাতের গন্ধে
বাতাসের সাথে বৃক্ষপত্রের সম্পর্ক রচিত হয় যেখানে
সেখানে তুমি,
সেই তুমি
আজো হাস্যোজ্জ্বল তোমাতে ঘনায়মান।

ফুটপাথ দিয়ে হাঁটছো,
কাঁধ থেকে নেমে গ্যাছে বুকের উপর
ব্যাগের বেল্ট ক্রস হয়ে
কানে মুঠোফোন।
কোঁকড়া ঘনকৃষ্ণ চুল
বাতাসের সাথে কী এক খেলায় মেতেছে!
আর সানগ্লাসটা
বিকেলের শেষ আলোয়
একবার যখন ঝলকালো,
ছুটন্ত হৃদয়টা
আবার কেন দুরন্ত হল!

ভালইতো ছিলাম ভুলে
শুধু বাইরে বেরোলে ভাললাগায় বুক কাঁপতো
কী বলবো দেখা হলে ভেবে।

কে জানতো তোমার চলে যাওয়া
আমার চোখে শহরটাকে রংহীন করে দেবে!
কে জানতো তোমাকে নিয়ে ধাবমান বিমানটি
নীলাকাশটাকে ভরে দেবে নিমেষ কালো মেঘে!
কে জানতো তোমাকে আজ আঁকবো এভাবে কলমের তুলিতে।
ছুটন্ত মনটা আমার বহু….
বহু দিন বাদে থমকে দাঁড়াল
এক পলকে নিথর হল।

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন:

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Follow

Get the latest posts delivered to your mailbox:

Free SSL