বাংলাদেশের বিলুপ্তপ্রায় হিন্দুরা

বাঘের পরে এদেশের বিলুপ্তকায় প্রাদের তালিকায় থাকবে হিন্দুদের নাম। মানে আমাদের জাতীয় প্রতীক বাঘ হওয়া সত্ত্বেও কিংবা জাতীয় সংগীতের সংগীতকার কিংবা বাঙালিয়ানা চেতনার আইকন রবীন্দ্রনাথ হওয়া সত্ত্বেও যেমন এই আর কী! ওহ্‌হো থুক্কু! বিশিষ্ট সুশীল যারা রবীন্দ্রনাথের সেক্যুলার চরিত্র নিয়ে গর্বিত তাদের কাছে আগেই মাপ চেয়ে নিচ্ছি এজন্য যে আমি উনাকে এখন একটু হিন্দু বানাতে চাই। উনি সেক্কুলার ছিলেন, হিন্দুও ছিলেন এবং ব্রাহ্ম ধর্মাবলম্বীও ছিলেন। তিনি তার কোন পরিচয়কেই খাটো করেন নি জীবনে। আসলে রবীন্দ্রনাথ ব্যাটা যে একটা মালাউনের বাচ্চা ছিলেন সেটা ভুলেই গেছিলাম। বহু কষ্টে মনে করলাম। যা হোক, ‘অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ’ দুটি অশ্লীল শব্দদ্বয়। এবং আমার কাছে অ্যালার্জিবাচকও বটে এই মুহূর্তে। আর হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা হল কাপুরুষ লক্ষণ সেনের বংশধর, যদি মিরজাফরের মত কেউ থাকত এদের মাঝে, তাও বুঝতাম মাথায় কিছু ঘিলু আছে। এই লক্ষণ সেনের ভাতিজারা ভীরু, ভীতুর ডিম, ছাগলের তিন নাম্বার বাচ্চা, আগে তবু ভোট ছিল বলে দাম ছিল, এখনতো ভোট ও নাই। না কানলে মাও দুধ দেয়না। আর এদের অধিকার আর বিচার গিলানোরও সুযোগ নাই। তার আগেই পিছনের দরজা দিয়ে পলায়ন। শিক্ষিত আর প্রগতিশীলগুলাতো আরো কুলাংগার। বিশ্ব নাগরিক হবার উছিলায় সবার আগে পাসপোর্ট বানায়, আর সীমান্ত পার হয়ে ভাবে, বাপরে! বাচলাম নরক থেকে। অন্তত আর সংখ্যালঘু হিসেবে কোতল হইতে হবেনা। কিছু শিক্ষিত ছাগল আবার নিজের উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্য ধর্ম-সংস্কৃতিকে বিলং ই করেনা। এরা দেশে বেশি সুশীল মারাইতে গিয়া অতি বিচ্ছিন্ন রাজনৈতিক ছাতার নিচেও আশ্রয় লয় অথবা নিতান্তই ‘একলা চল’ নামে এক মহা রোগে রোগাক্রান্ত হয়ে যায়। যাকগা! দোষটা আসলে আমার স্বজাতিরই। এখন পর্যন্ত কোন হিন্দুকে নিজ অধিকারের জন্য রাস্তায় নামতে দেখি নি। এই বহুধা বিভক্ত ভীতু সম্প্রদায়টির তাই বিলুপ্তি অনিবার্য।

আর নীরব সুশীল সংখ্যাগুরুদের বলব, আপনারা টেনশন কইরেন্না। সোনার বাংলা ছিল, থাকবে। তবে আগামীর সোনার বাংলা হবে পার্ভার্টদের ইমাণদণ্ডের উপর নির্মীয়মান বাংলাদেশ। অতএব…সহকারে রেডি থাইকেন!

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন:

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Follow

Get the latest posts delivered to your mailbox:

Free SSL