বিভাগ: দিনলিপি

বিদগ্ধ রাজপথ-নগরের ঈদ উৎসব

সকাল ৯টায় বাস স্ট্যান্ডে পৌঁছলাম। নতুন কোম্পানির চেয়ার কোচের জন্য অপেক্ষমাণ। সকাল যখন সাড়ে দশ, তখন ও টিকিট কাউন্টার কর্তাটি মাখনের মত হেসে…

লোকসঙ্গীত উৎসব ২০১৭ প্রবেশ বিড়ম্বনা

আমি কোথাও যাবো আর সেখানে অন্যরকম কিছু ঘটবেনা, সেটাতো হয়না প্রায়ই। নিজের গাড়লত্ব সামলাতে গিয়ে পুলিশের সাথে ভাব পাতাইতে হইল। বহুত শেয়ানা মনে হচ্ছে নিজেকে এখন, হাহাহা।

অনলাইনে লেখালিখি

অনলাইনে লেখালিখির অনেক ভালো এবং খারাপ দিক আছে। অনলাইন সবার জন্য উন্মুক্ত হওয়ার দরুন এখানে প্রচুর পার্ভার্ট জন্ম নিয়েছে। যারা মিথ্যা কথা বলায় দারুনভাবে দক্ষ হয়ে উঠেছে। দেখা গেল, কোন একজন কিছুই করেনি, অথচ স্রেফ মতে মেলেনি বা কথা পছন্দ হয়নি বলে তার নামে গল্প বানিয়ে স্বউদ্যোগে একে ওকে বলে বেড়াচ্ছে। এই সব পার্ভার্টের পিছনে প্রতিবাদ করে সময় খরচ করতেও আসলে ঘেন্না লাগে।

সম্পর্কে দূরত্ব (Space) দরকারী

একটা সম্পর্কে সবচেয়ে বেশি দরকারী হল Space. সমস্যা হল এ বিষয়ে আমাদের বোধ এবং ধারণা খুব কম। মানসিকভাবে ও শারিরীকভাবে যথেষ্ট সুস্থ না থাকলে এর প্রয়োজন বোঝা যায় না।

মাসীবাড়ির বিড়াল

এই হুহু বাতাস মাখা শীতে একটা গল্পই মনে পড়ছে। মাসীবাড়ির গল্প। রাত দুইটার সময় চিঁচিঁ আওয়াজে উঠে গেল ঘুম থেকে সকলে। লেপ কম্বল ভেজা ভেজা লাগছে এই হাড়কাপানো ঠাণ্ডায়। ঘটনা কি? আবিষ্কৃত হল, বিড়াল বাচ্চা দিয়েছে লেপ কম্বলের ওমে। ঐ রাত দুইটার সময়, না আছে ঘরের সাথে বাথরুম, না আছে ডিপ কল। বিলের মধ্যে দ্বীপের মত রিসোর্ট টাইপের বাড়িখানা। উঠান পেরিয়ে শুধু বিলের জল ছাড়া কিছু নেই। কি আর করা!

শিকড় – এক

আপনি কি জানেন ‘mother’ শব্দটি এসেছে সংস্কৃত ‘মাতৃ’ থেকে, ‘brother’ এসেছে সংস্কৃত ‘ভাতৃ’ থেকে, তেমনি ‘Trigonometry’ এসেছে সংস্কৃত ত্রিকোণমিতি থেকে, ‘Geometry এসেছে ‘জ্যামিতি’ থেকে? এভাবে ইংরেজী ভাষার ৮০ ভাগ শব্দ হয় সংস্কৃত ভাষা থেকে সৃষ্ট নয়তো এর সাথে মিল পাওয়া যাবে,  বাকিটা ফরাসি ও অ্যাংলোস্যাক্সন এবং বৃটেন অধিবাসীদের পরিভাষা ও বংশজাত। খুব অবাক লাগছে তাই না তথ্যটা জেনে? ভাবছেন কীভাবে ?

আমাদের সমন্বয়হীনতা চর্চা

যেকোন বিষয়ে সফলতার প্রথম ও শেষ শর্ত হল সমন্বয় সাধন। এটাই সফলতা সম্পর্কে চরম উপলব্ধি। চেতন ভগত আমার প্রিয় একজন লেখক। চিন্তাটা তার কাছে ধার করা হলেও উপলব্ধিটা আমার স্বকীয়। আমরা বেশিরভাগ সাধারণ মানুষ সমন্বয় বুঝি না বলেই জীবনে এত সংঘর্ষ। সমন্বয় বুঝিনা বলেই আধুনিক হতে গিয়ে হয়ে যাই পশ্চিমা, ধার্মিক হতে গিয়ে হয়ে যাই মৌলবাদী, প্রগতিশীল হতে গিয়ে হয়ে যাই লাগামহীন বিভ্রান্ত ও ছন্নছাড়া নানা জাতের বাইচাপা বাউণ্ডুলে, স্বার্থ সচেতন হতে গিয়ে হয়ে পড়ি স্বার্থপর ও অমানবিক। দেশ ও সমাজের সকল ক্ষেত্রেই চলছে এখন তুমুল হারে সমন্বয়হীনতা। সমন্বয় করতে পারাটা নিজের ও সমাজ জীবনে চরম কঠিন একটি কাজ। বাবুই পাখির মত বেশ শিল্পী আর সূক্ষ হতে হয় মননে ও মস্তিস্কে। ভোঁতা মাথায় আর যাই হোক সমন্বয় হয় না। যাহোক, এই বিদ্যা অর্জন করা আমার মত ক্ষুদ্রের অল্প সময়ের কাজ না…

ব্লগ জীবনের শুরুর কথা

পিসি নিয়েছিলাম বছর পাঁচেক হল। অবস্য ছোটবেলা থেকেই পিসির প্রতি আমার আগ্রহ অসীম। কিন্তু থ্রি ইডিয়টসের খাতায় নাম লেখাতে পারিনি দুর্ভাগ্যজনকভাবে। বাবা মায়ের ইচ্ছাতলে নিজেকে সমর্পণ করে এবং অবশেষে নিজের ব্যর্থতাবলে হয়ে উঠি কম্পিউটারের জগত থেকে হাজার ক্রোশ দূরের কেউ।

যখন ছিলাম দস্যু বনহূর-২

টাকা চিবিয়ে খাওয়ার ঘটনার পর কিছুদিন কাটলো বেশ দু:খ কষ্টের মধ্যে।বড়বোনের হাস্যরসাত্মক অপমান আর মায়ের বকুনির মধ্যে।তখন মা আমাকে প্রতিদিন বিকেলে জামা জুতো পড়িয়ে একেবারে ফিট বাবুটি সাজিয়ে দিতেন।আমিও লক্ষী বাবুর মত হাটি হাটি পা পা করে খেলার মাঠে হাজির হতাম অন্যদের সাথে খেলায় যোগ দেবার মনোবাসনা নিয়ে।কিন্তু দু:খের বিষয় কেউ আমাকে খেলতে নিত না ।নিলেও দুধভাত হিসেবে  ।মানে শুধু লোকসংখ্যা বাড়ানোড় জন্য।আমার কোন পারফরমেন্সের কোন দাম ছিলনা  ।আমার খেলাটা আর কেউ খেলে দিত।অধিকাংশ সময় ই মাঠের কিনারে বসে থাকতাম।বল কুড়িয়ে দিতাম।সিবুড়ি খেলার সময় হাততালি দিতাম।ব্যাডমিন্টনের সময় কর্ক কুড়িয়ে দিতাম।এটাই প্রায় নিয়মিত হয়ে গিয়েছিল।

যখন ছিলাম দস্যু বনহূর-১

আমি কোনকিছুতেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারি না। তবে এই লেখাটার অবশ্যই একটা ধারাবাহিক রূপ দিতে চাই। নইলে তা অপূর্ন থেকে যাবে।
মানুষটা আমি খুব ই সামান্য। শিক্ষা দীক্ষা জ্ঞান বুদ্ধীতে খুব ই ছোট। কিছুই নেই বিশেষ নিজেকে নিয়ে গর্ব করার মত। তবে বলার মত আছে শুধু ১টা বিষয়;আর তা হল আমার সমৃদ্ধ শৈশব। এই সিরিজটা লেখা হবে আমার শৈশবের বিভিন্ন স্মৃতি নিয়ে।

Follow

Get the latest posts delivered to your mailbox:

Free SSL