বিভাগ: প্রেরণা

ভালবাসার জন্য ‘No Regret’

সবাইকে না, দুনিয়ার সকল সিঙ্গেল ও ডিসট্যান্ট রিলেশনশিপে থাকা লোকজনকে ভালবাসা দিবসের শুভেচ্ছা। কারণ এরাই একমাত্র ভালবাসা দিবসের মর্ম বোঝে। যারা একসাথে সময় কাটাচ্ছেন বা প্রেম করতেছেন কিংবা বিবাহিত, এদের শুভেচ্ছা জানিয়ে লাভ নাই। কেননা, এরা নিজেদের দুনিয়ায় এত ব্যস্ত যে অন্যদের শুভেচ্ছার তাদের দরকার নেই। আই মিন, ধরুন, যারা ইতিমধ্যেই বিবাহিত, তাদের দিনে একবার হলেও মনে হয়, ‘কেন যে বিয়ে করলাম!’ আর যারা প্রেম করতেছে, এরা সারাক্ষণ ভাবে, বিয়েই সব সমস্যার সমাধান, তাই বিয়ের আর্থ সামাজিক প্রেক্ষাপট তৈরি করতেই তারা এত ব্যস্ত যে ভ্যালেন্টাইন ডে নিয়ে তারা খুব ভাবিত না।

বিকাশ না হলে এক ছাদের নিচে থাকা ঠিক না

মানুষ আসলে ‘মানুষ’ নষ্ট করতে পারে। সবচেয়ে ভালবাসার মানুষটাও পরষ্পরের কাছে কাছে মূল্যহীন হয়ে যেতে পারে। এই মূল্যহীন হয়ে পড়ার প্রক্রিয়াটা ‘স্লো বার্ন’ এর মত। একদিনে ঘটে না। বছরের পর বছর লাগে কারও কারও ক্ষেত্রে। সুমনের সেই গানের মত – ‘কতটা অপচয়ের পর মানুষ চেনা যায়’।

ইন্দিরা গান্ধী’র নন্দিত ও নিন্দিত জীবনের সেরা দশ বাঁক

আমি ব্যক্তিপূজায় বিশ্বাস করিনা। শ্রদ্ধা করতে ভয় পাই আজকাল, করিনা বললেই চলে। কারণ, অনেক শ্রদ্ধেয় ব্যক্তির কর্মকাণ্ড আমাকে চোখের সামনে পাহাড় ধ্বসের অনুভূতি দিয়েছে। কিন্তু কাউকে কাউকে শ্রদ্ধা করতে বাধ্য হই, মানুষ হিসেবে। যেকজন মানুষের জন্মের কারণে পৃথিবী অনেক সুন্দর এখনও, তার মধ্যে ইন্দিরা গান্ধী আছেন বলে মনে করি। ছোট বেলা থেকেই উনাকে দেখে আমার এক অদ্ভুত অনুভূতি হয়। উনাকে ভালবাসার প্রথম কারণ হল, উনি আমার মায়ের মত দেখতে। তাই তাঁকে টিভি স্ক্রিন বা পত্রিকার পাতা যেখানেই দেখতাম, সঙ্গে সঙ্গে মা’র দিকে তাকাতাম।

নিজের প্যাশন বনাম বাবা-মায়ের স্বপ্ন এবং আমরা যেভাবে মেরুদণ্ডহীন হই

সন্তানের ১৮ বছর বয়সের পরও এদেশের বাবা মায়েরা সন্তানকে খাবার, বাসস্থান, সখ আহ্লাদ, উচ্চশিক্ষা ইত্যাদি দিয়ে যায়। তারা মনে করে এটাই ভালবাসা, বিনিময়ে তারা চায় সন্তান তাদের কথা শুনুক এবং তাদের মুখ উজ্জ্বল করুক। কিন্তু আসলেও কি এটা ভালবাসা? I don’t think so.

তসলিমা নাসরিন এর নির্বাসন – দায় ও ক্ষতি কার?

আজ একটি বিতর্কিত বিষয় নিয়ে লিখতে চাই। এতে আমার কোন ব্যক্তিগত মত থাকছেনা। ব্যক্তিগত কোন ভালোলাগা থেকেও কিছু বলছি না, তবে দায় বোধ থেকে বলছি। এখন সময় যেহেতু পক্ষে না, সুবোধ পালাচ্ছে। কিন্তু বেঁচে থাকতে মেরুদণ্ড লাগে। মেরুদণ্ডের খোঁজ করছি তাই নিজের ভেতরে ও বাইরে। এদেশে মেরুদণ্ডওয়ালা লোকের সংখ্যা তলানিতে এসে ঠেকেছে, লোকে কাকে দেখে নিজের মেরুদণ্ডকে শক্ত করবে?

রাজ্জাক – শরণার্থী থেকে হৃদয়ের নায়ক

বাংলা থেকে দেশান্তরী হয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন এরকম শখানেক বিখ্যাত জনের নাম মুহূর্তে বলে দেয়া যায়। কিন্তু ওপার বাংলা থেকে এখানে এসে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন এমনটা বিরল। পূর্ববঙ্গের আর্থ-সামাজিক অবস্থা এবং মানুষের মনন সেটাকে আরও কঠিন করে তোলে। কিন্তু যিনি পারেন, তিনি পারেন। অনেকে হয়তো জানেই না, নায়ক রাজ্জাক ভিনদেশী ছিলেন। কারণ তার কাজ ও ঐকান্তিকতা। কাজ দিয়েই হৃদয় জয় করেছেন এপারের মানুষের। তার ইমেজের বিকল্প এখন ও তৈরি হচ্ছেনা ঢাকাই চলচিত্রে। সালমান শাহ পারতেন, কিন্তু দুর্ভাগ্য তাকে অকালেই চলে যেতে হল।

বাংলাদেশ থেকে Brain Drain – লাভ কার?

ইন্ডিয়ান কোন ভাল লেখকের বই যখন পড়ি, ভাল কোন চলচিত্র বা গান বা যেকোনো কিছু যখন জানতে থাকি অনেক গভীরে গিয়ে, সত্যিই অবাক লাগে আবার একই সাথে দুঃখও লাগে। কারণটা বলছি।

অরুন্ধতি রায়কে নিয়ে দু’কথা

অরুন্ধুতি রয়’কে নিয়া একটু পড়ছি। জানতে চেয়েছিলাম, লেখক হবার আগে তিনি কেমন ছিলেন। মানুষ যেমন বাবা-মা হয়ে যাবার পরে আর একই মানুষ থাকেনা, লেখকের বেলায়ও তেমনটা সত্যি। একবার লেখক হয়ে গেলে সে আর আগের মত থাকেনা। দ্বিতীয়বার জন্মায়।

যা পড়ি যা পড়ি না আজকাল

বই মনের খাবার। এক এক খাবারের যেমন এক এক রকম খাদ্য গুন, এক এক ধরণের বইয়েরও তেমনি এক এক ধরণের প্রতিফলন আছে। ইদানীং একটা উপলব্ধি হল, শুধু সাহিত্য পড়া ঠিক না। এটা মনের বাইরে শান্তি আনে, ভেতরে আগ্রহ ও সৌন্দর্য বোধ তৈরি করে, ধৈর্য্য বাড়ায়।

সাহিত্য কেন প্রয়োজনীয়

এখন নাকি দুটি পক্ষ। যারা সাহিত্য করে এবং পড়ে আর যারা করেনা, পড়েও না। শেষোক্তদের অহেতুক ও যুক্তিহীন যুক্তি এবং বিতৃষ্ণা ও না পড়ার নেশা আক্রান্ত করে প্রথমোক্তদেরও। প্রতি মিনিটে এখানে হাজার হাজার লেখক-কবি আত্মহত্যা করে গাজোয়ারি মুক্তি হীন স্রেফ টাকাওয়ালা ব্র্যান্ডেড পোশাকি লোভের রেললাইনে কাটা পড়ে। সাহিত্য ও টাকা দুটি সাংঘর্ষীক বিষয় প্রাথমিকভাবে।

Follow

Get the latest posts delivered to your mailbox:

Free SSL