বিভাগ: মাথাব্যাথা

সবাই সেপিওসেক্সুয়াল হলে পুরুষতান্ত্রীক, ধর্ষক ও নির্যাতক কারা?

মাঝে মাঝে কিছু বিষয় দেখে হাসি পায়, মেজাজও খারাপ লাগে। এই যেমন ধরুণ, এখন ‘সেপিওসেক্সুয়ালিটি’ নিয়ে খুব কথাবার্তা চলছে। অনেকেই নিজেদের ‘সেপিওসেক্সুয়াল’ হিসেবে চিহ্নিত করছে ফেসবুকে। ব্যাপারটা এমন যে, বিষয়টি সম্পর্কে তারা কেবলই জানল এবং সেই জানা অনুযায়ী তারা এক্কেবারে নিশ্চিত যে তারা অবশ্যই সেপিও। হাস্যকর। বিষয়টি সম্পর্কে দু চার লাইন শুনে, গভীরভাবে না বুঝেই কিন্তু তারা এটা করল। যেন এটা করে সেপিও হয়ে তারা জাতে উঠল।

প্রকাশকরা যেভাবে লেখকদের শোষণ করছে

বাংলাদেশে প্রকাশনা ব্যবসায়ের ধরণ বদলে গেছে। আগে লেখকদের কাছ থেকে পাণ্ডুলিপি সংগ্রহ করে সেটা প্রকাশ করে বিক্রি করা হতো, রয়্যালটি দেয়া হতো, অনিয়মিতভাবে হলেও। তখনকার লেখকরা রয়্যালটি পাক কিংবা না পাক, বিক্রি নিয়ে চিন্তা করতে হতো না। সেটা নিতান্তই প্রকাশকের কাজ ছিল। ফলে কারও বই বেশি বিক্রি হল নাকি কম বিক্রি হলো সেটা নিয়ে লেখকের কোন মাথা ব্যথা থাকত না, না থাকাই স্বাভাবিক।

নিজের প্যাশন বনাম বাবা-মায়ের স্বপ্ন এবং আমরা যেভাবে মেরুদণ্ডহীন হই

সন্তানের ১৮ বছর বয়সের পরও এদেশের বাবা মায়েরা সন্তানকে খাবার, বাসস্থান, সখ আহ্লাদ, উচ্চশিক্ষা ইত্যাদি দিয়ে যায়। তারা মনে করে এটাই ভালবাসা, বিনিময়ে তারা চায় সন্তান তাদের কথা শুনুক এবং তাদের মুখ উজ্জ্বল করুক। কিন্তু আসলেও কি এটা ভালবাসা? I don’t think so.

তসলিমা নাসরিন এর নির্বাসন – দায় ও ক্ষতি কার?

আজ একটি বিতর্কিত বিষয় নিয়ে লিখতে চাই। এতে আমার কোন ব্যক্তিগত মত থাকছেনা। ব্যক্তিগত কোন ভালোলাগা থেকেও কিছু বলছি না, তবে দায় বোধ থেকে বলছি। এখন সময় যেহেতু পক্ষে না, সুবোধ পালাচ্ছে। কিন্তু বেঁচে থাকতে মেরুদণ্ড লাগে। মেরুদণ্ডের খোঁজ করছি তাই নিজের ভেতরে ও বাইরে। এদেশে মেরুদণ্ডওয়ালা লোকের সংখ্যা তলানিতে এসে ঠেকেছে, লোকে কাকে দেখে নিজের মেরুদণ্ডকে শক্ত করবে?

H2O ও আমাদের দেশের সুন্দরী প্রতিযোগিতা

যারা পানির রাসায়নিক সংকেত সুন্দরী না জানায় কোন সমস্যা মনে করছেন না, তাদের জন্য বলছি।

বাংলাদেশ থেকে Brain Drain – লাভ কার?

ইন্ডিয়ান কোন ভাল লেখকের বই যখন পড়ি, ভাল কোন চলচিত্র বা গান বা যেকোনো কিছু যখন জানতে থাকি অনেক গভীরে গিয়ে, সত্যিই অবাক লাগে আবার একই সাথে দুঃখও লাগে। কারণটা বলছি।

ফুটবলে কালো ছায়া: গুলিতে নিহত ফুটবলার অ্যামিলকার হেনরিকোয়েজ

ছেলেটির ডাকনাম ছিল মিকি। হাস্যোজ্জ্বল ছেলেটি দলের সিনিয়র খেলোয়াড় হয়েও স্বভাবে ছিল দারুণ চটপটে। মাঝমাঠে অবিশ্রান্ত খেলতে পারতো। পানামার জাতীয় দলে তার জায়গা ছিল বেশ শক্ত। ৩৩ বছর বয়সী এই খেলোয়াড় স্বভাবে ছটফটে হলেও যে মুহূর্তে অভিজ্ঞতার ব্যবহার প্রয়োজন দলে, ভুল করতেন না এক চুল। বলছি অ্যামিলকার হেনরিকোয়েজ এর কথা। গত মাসেই খেলেছেন আমেরিকার বিপক্ষে পানামার হয়ে বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের ম্যাচে । যদিও মাত্র শেষ দশ মিনিট। টানটান উত্তেজনাময় সে ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হয়েছিল। কিন্তু আর কোনোদিন পানামার হয়ে ফুটবল মাঠে নামবেন না অ্যামিলকার হেনরিকোয়েজ। এই নামটি এখন কফিনের উপর লেখা হয়েছে। এ মাসটি ফুটবলের জন্য কাল মাস হয়ে থাকবে।

ক্রিকেট যাত্রাঃ গ্যালারি থেকে অন্তর্জাল

একজন ভারত সমর্থক ফেসবুকের একটি ছবিতে মন্তব্য করলেন,

“As usual India won the match….Bangladesh won Hearts Livers and Kidneys!! One amazing fact : Mushi has 3 centuries, and all 3 times Bangladesh lost. Great record sir… Pack up!! :)”

রবীন্দ্রনাথ কী আসলেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরোধিতা করেছিলেন?

ছবিঃ নবাব সলিমুল্লাহ এবং রবীন্দ্রনাথ পাশাপাশি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

কিছুদিন আগ পর্যন্তও জানতাম, রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিরোধী ছিলেন। কিন্তু বেশ কিছু গবেষণামূলক প্রবন্ধ থেকে জানা গেল আসলে সে তথ্য ভুল। সেটা একটি অপপ্রচার, এবং এ অপপ্রচার ৩০ বছর ধরে চলছে। আদতে এই তথ্যের কোন Concrete প্রমাণ নেই। রবীন্দ্রনাথের মত কোন ব্যক্তি যখন কোন রাজনৈতিক ও সামাজিক ইস্যু নিয়ে বক্তব্য দেন অবশ্যই তার একটি Concrete প্রমাণ থাকার কথা।

সাহিত্য কেন প্রয়োজনীয়

এখন নাকি দুটি পক্ষ। যারা সাহিত্য করে এবং পড়ে আর যারা করেনা, পড়েও না। শেষোক্তদের অহেতুক ও যুক্তিহীন যুক্তি এবং বিতৃষ্ণা ও না পড়ার নেশা আক্রান্ত করে প্রথমোক্তদেরও। প্রতি মিনিটে এখানে হাজার হাজার লেখক-কবি আত্মহত্যা করে গাজোয়ারি মুক্তি হীন স্রেফ টাকাওয়ালা ব্র্যান্ডেড পোশাকি লোভের রেললাইনে কাটা পড়ে। সাহিত্য ও টাকা দুটি সাংঘর্ষীক বিষয় প্রাথমিকভাবে।

Follow

Get the latest posts delivered to your mailbox:

Free SSL