বিভাগ: গল্প

বিদগ্ধ রাজপথ-নগরের ঈদ উৎসব

সকাল ৯টায় বাস স্ট্যান্ডে পৌঁছলাম। নতুন কোম্পানির চেয়ার কোচের জন্য অপেক্ষমাণ। সকাল যখন সাড়ে দশ, তখন ও টিকিট কাউন্টার কর্তাটি মাখনের মত হেসে…

সু চি কে লেখা জহিরের খোলা চিঠিঃ

প্রিয় অং সান সু চি,
আপনি কি ভাল আছেন? হয়তো ভাল। আবার না ও থাকতে পারেন। কারণ যতদূর জানি আপনার স্বভাব কিছুটা আমার মায়ের মতনই। আপনি দেখতেও আমার মায়ের মতনই কিছুটা। তাই আপনাকেই কিছু কথা বলতে চাই। যেহেতু মায়ের কথা খুব মনে পড়ছে এ মুহূর্তে। সে যেখানেই থাকুক, আল্লাহ ভাল রাখুন তাঁকে।

ফেসবুক জীবনে প্রেম


-হাই!ক্যামন আছেন?
-ভাল, আপনি?
-আপনি আমার ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট গ্রহণ করবেন কিনা ভয়ে ছিলাম।
-কেন?
-বাবা আপনার যে ভাব! কারো সাথে কথাই বলেন না।
-মানে? এটা মনে হল কেন?
-আসলে আপনাদের আই মিন বুয়েটের ছেলেদের অনেক অহংকার, তাই না? সেদিন তো দেখলাম, চুপচাপ বসে আছেন, মনে হল কেউ নিজে গিয়ে কথা বললে তাকে আপনি কৃতার্থ করবেন।

এক খন্ড দেশ

কমলাপুর রেইলওয়ে স্টেশন। দুপুর বারটা। এখনি পৌছবে একতা এক্সপ্রেস। সেই সকাল নয়টা পঞ্চাশে এ আসার কথা। অথচ আসবে এখন। অপেক্ষায় বিষন্ন প্রতিটি যাত্রী।

বিকেল কী হয়েছে?

ভাতের প্লেটে হাত দিলেই রাজ্যের চিন্তা মাথায় আসে শোভনের,যেন চিন্তারা এতখন তার সাথে কথা বলার সুযোগ পেল,কে কার আগে আসবে এই প্রতিযোগীতা তাদের মাঝে। তাই ভাত মুখে দেয়ার গতি তার অতি ধীর। যদি ও খিদে পেটে অবচেতনে জানান দিতেই থাকে ।মাঝে মাঝ তন্ময়ের মা তাগাদা দিয়ে যান।তাতেও যে গতি বাড়ে এমন নয়। কত যে চিন্তা তার! থিসিসের কাজ শেষ করতে হবে,তাদের থিসিসটা পাবলিশ করতে পারলে যে কত এগিয়ে যাবে সে! বিদেশ যাওয়া,চাকরী সব দিক কিছুটা বেশী ই সহজ হবে তার জন্য। ১টা পার্ট টাইম জব যেভাবেই হোক খুজে পেতেই হবে,বাবা মায়ের হাত তোলা হয়ে আর কত!তাদের ও তো ক্লান্তি আছে,এ মাসের টাকাগুলো এত দ্রুত শেষ হয়ে গেল! কী জবাব দেবে বাড়িতে সে? ওদিকে তার বন্ধুরা কতভাবে টাকা আয় করছে,কিছুই জানেনা ,বোঝেনা সে। এতদিন ঘরের মানে হলের রুমের বাইরে পা ই রাখেনি। তাই লিংক ও নেই বেশি,বাস্তব জগতের অভিজ্ঞতারঝুলি শুন্য।

সিডর ও একটি শাড়ির গল্প

রাস্তায় মানুষের ঢল নেমেছে,বিদ্ধস্ত চেহারার সব মানুষ। তাদের চলার ছন্দে শ্রান্তি,মুখাবয়বে ক্লান্তি আর চোখে উদ্ভ্রান্তি। চারদিকে গতসপ্তাহের ঝড়ের সাক্ষি হিসেবে রেখে যাওয়া ধ্বংসলীলার নগ্ন ছাপ। বড় বড় বয়েসী মেহগনী গাছগুলো এখনো রাস্তার পাশে পড়ে আছে হেড়ে যাওয়া সৈনিকের মত।
পাতারহাট বাজার। মাঝারি আকারের টিনের বেড়া দেয়া চালগুলোর কিছু কিছুর মেরামতকাজ চলছে। শুধু ১ জায়গায় অবস্থানরত তিনটি দোকানঘর এখনও চরম বিদ্ধস্ততার চিহ্ন নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

Follow

Get the latest posts delivered to your mailbox:

Free SSL