মাসীবাড়ির বিড়াল

এই হুহু বাতাস মাখা শীতে একটা গল্পই মনে পড়ছে। মাসীবাড়ির গল্প। রাত দুইটার সময় চিঁচিঁ আওয়াজে উঠে গেল ঘুম থেকে সকলে। লেপ কম্বল ভেজা ভেজা লাগছে এই হাড়কাপানো ঠাণ্ডায়। ঘটনা কি? আবিষ্কৃত হল, বিড়াল বাচ্চা দিয়েছে লেপ কম্বলের ওমে। ঐ রাত দুইটার সময়, না আছে ঘরের সাথে বাথরুম, না আছে ডিপ কল। বিলের মধ্যে দ্বীপের মত রিসোর্ট টাইপের বাড়িখানা। উঠান পেরিয়ে শুধু বিলের জল ছাড়া কিছু নেই। কি আর করা!

হি হি করে কাপতে কাপতে সেইসব কাঁথা-কম্বলের সৎকার করা হল বরফ তুল্য জলে ধুয়ে। যত্ন করে বিড়াল ও তাঁর বাচ্চাদের বাঁচিয়ে রাখা হল। অথচ মজার ব্যাপার হল, মাসী বিড়াল পছন্দ করত না, প্রায়ই খেদিয়ে দিত বাড়ি থেকে। কিন্তু যখন মেসো স্কুল থেকে ফিরত, দেখা যেত তাঁর পেছনে পেছনে ঘরে ফিরছে বিড়ালগুলোও। কারণ, তিনি পছন্দ করতেন।

গ্রামের বাড়িতে বিড়াল সাধারণত খুব ন্যাওটা হয়না। আর ঘরের লোকজনও অত খেয়াল করেনা। শুধু খাবারের সময় খাবার দেয়। এমনিই ঘরময় ঘুরে ফিরে একসময় ওরা ঘরের মানুষের মত আপন হয়ে যায়। তো এহেন কাণ্ড ঘটাবার পরেও দেখা গেল বিড়ালগুলো বংশ পরম্পরায় রয়ে গেল মাসীর কাছে। এখন সে বাড়ির বিড়ালগুলো আর সবাই কেমন আছে গিয়ে দেখে আসতে ইচ্ছে হচ্ছে 

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন:

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Follow

Get the latest posts delivered to your mailbox:

Free SSL